Youtube Channel Subscribe us

পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে বেসরকারি উদ্যোগের ভূমিকা লেখ।


পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে বেসরকারি উদ্যোগের ভূমিকা লেখ।


ভূমিকা: ভারতের চিন্তা-চেতনা , মানসিকতা বাদ, যুক্তিবাদ ও শ্রদ্ধা পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারে বেসরকারি উদ্যোগই ছিল প্রথম প্রদর্শক।

পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে বেসরকারি উদ্যোগ :

  খ্রিস্টান মিশনারীদের ভূমিকা: 
ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে আগ্রহ ভূমিকা নিয়েছিলেন খ্রিস্টান মিশনারী সম্প্রদায়। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে মার্শম্যান, উইলিয়াম কেরি, এডওয়ার্ডের কল্যান স্পর্শে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন। রবার্ট মেয়ের উদ্যোগে চুঁচুড়ায় লন্ডন মিশনারি, আলেকজান্ডার এর উদ্যোগে স্বস্টিক মিশনারি প্রভৃতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের জন্য।

ডেভিড হেয়ার এর ভূমিকা:
 উনিশ শতকে বাংলার পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারে স্কটল্যান্ড এর ঘড়ি ব্যবসায়ী ডেভিড হেয়ার এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় হেয়ার স্কুল, সিমলা স্কুল।

ব্রিটন সাহেবের ভূমিকা
বড়লাটের শাসন পরিষদের সদস্য ও বাংলার্শিক্ষা কাউন্সিলের সভাপতি বেথুন সাহেবের সহায়তায় বিদ্যাসাগর উদ্যোগ গ্রহণ করে বেথুন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন (১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে)। ব্রিটেনের সাহেবের নামানুসারে নামাঙ্কিত ভারতের প্রথম মহিলা স্কুল।

রাজা রামমোহন, রাধাকান্ত দেবের ভূমিকা:
 ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে বেসরকারি উদ্যোগে শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে এদেশীয় হিতবাদী শহীদ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন রাজা রামমোহন রায় ও রাধাকান্ত দেব। রামন পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের জন্য কলকাতায় অ্যাংলো হিন্দু স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য লর্ড আমহার্স্ট কে চিঠি দেন সেই সঙ্গে রাধাকান্ত দেবের ভূমিকা ছিল অতুলনীয়।

বিদ্যাসাগরের ভূমিকা: 
ভারতবর্ষে পাশ্চাত্য শিক্ষার নারীদেরকে শিক্ষার আলোয় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে প্রথম সতস্ফুর্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেন বিদ্যাসাগর। কারিকুলাম স্পর্শে শুধু বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় ৩৫ টি বিদ্যালয় পরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৮ টিতে।

মূল্যায়ন: উপান্তে বলা সম্ভব হবে যে বেসরকারি উদ্যোগে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তিত হলে ভারতে কোম্পানি সরকার এদেশের শিক্ষা বিস্তারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে ভারতে অজ্ঞতা দূর করা সম্ভব হয়েছে।

অন্যান্য পোস্টগুলি


Next Post Previous Post
×